বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

রবিবার, ২৬ নভেম্বর, ২০২৩

মিরা মুরাতিও বাদ, ওপেনএআই'র নতুন সিইও এমেট শিয়ার

মিরা মুরাতিও বাদ, ওপেনএআই'র নতুন সিইও এমেট শিয়ার

 

মিরা মুরাতিকে সরিয়ে এবার ওপেনএআই’র নতুন সিইও করা হলো আরেক টেক এক্সপার্ট এমেট শিয়ারকে। অ্যামাজনের জনপ্রিয় ভিডিও গেম স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম টুইচের সহ-প্রতিষ্ঠাতা এমেটকে ওপেনএআই প্ল্যাটফর্মটির অন্তর্বর্তীকালীন সিইও ঘোষণা করা হয়েছে।

অ্যামাজনের জনপ্রিয় ভিডিও গেম স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম টুইচের সহ-প্রতিষ্ঠাতা এমেটকে ওপেনএআই প্ল্যাটফর্মটির অন্তর্বর্তীকালীন সিইও ঘোষণা করা হয়েছে। ছবি: সংগৃহীত

সোমবার (২০ নভেম্বর) প্রকাশিত এক সংবাদে এমন তথ্যই জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওইয়াশিংটন পোস্ট। 

 
গত শুক্রবার (১৭ নভেম্বর) বোর্ড সিদ্ধান্তের জেরে হঠাতই চ্যাট জিটিপি'র মূল সংস্থা ওপেনএআই’র সিইও পদ থেকে সরিয়ে দেয়া হয় স্যাম অল্টম্যানকে। 
 
তার জায়গায় অন্তর্বর্তীকালীন দায়িত্ব দেয়া হয় মিরা মুরাতিকে। ৩৪ বছর বয়সি মুরাতি এর আগে ওপেনএআই’র প্রধান প্রযুক্তিবিদ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। প্রায় একবছর আগে বিশ্বে ঝড় তুলে আত্মপ্রকাশ ঘটিয়েছিল চ্যাটজিপিটি। 

তবে এবার তাকে সরিয়ে সংস্থাটির দায়িত্ব তুলে দেয়া হলো এমেট শিয়ারের কাঁধে। এর আগে অ্যামাজনের গেম-স্ট্রিমিং সাইটের সিইও পদে ছিলেন এমেট শিয়ার। চলতি বছরের শুরুতেই সেখান থেকে পদত্যাগ করেন তিনি।
 
এদিকে ওপেনএআই এর সিইও স্যাম অল্টম্যানকে সরিয়ে দেয়া নিয়ে মুখ খুলেছেন এক্স তথা টুইটারের মালিক এলন মাস্ক। স্যাম অল্টম্যানকে কেন বাদ দেয়া হলো তার কারণ জানতে চেয়েছেন তিনি। বলেছেন, তাকে কেন বাদ দেয়া হলো তা জানাতে হবে বোর্ডকে।
 
সবশেষ খবর অনুযায়ী, প্রতিষ্ঠানটির বেশ কিছু বিনিয়োগকারী ও কর্মচারীরা অল্টম্যানকে সিইও পদে পুনর্বহাল করার চেষ্টা চালাচ্ছেন বলে জানা গেছে।
 
২০১৫ সালে স্যাম অল্টম্যান, ইলন মাস্ক, ইলাইয়া স্টাস্কএভার ও গ্রেগ বকম্যান মিলে ওপেন এআই সংস্থার প্রতিষ্ঠা করেন।
ওপেনএআই থেকে বরখাস্ত স্যাম অল্টম্যানকে লুফে নিলো মাইক্রোসফট

ওপেনএআই থেকে বরখাস্ত স্যাম অল্টম্যানকে লুফে নিলো মাইক্রোসফট

 

চ্যাটজিপিটি নির্মাতা ও ওপেনএআই’র সিইও পদ থেকে বরখাস্ত হওয়া স্যাম অল্টম্যানকে নিয়োগ দেয়ার ঘোষণা দিয়েছে টেকনোলজি জায়ান্ট মাইক্রোসফট। শুধু তাই নয়, ওপেনএআই’র সহ-প্রতিষ্ঠাতা গ্রেগ ব্রকম্যান ও ওপেনএআই’র অন্য কর্মীদেরও নিয়োগ দেয়ার ঘোষণা দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

চলতি সপ্তাহে স্যাম অল্টম্যানকে ওপেনএআই থেকে বরখাস্ত করা হয়। ছবি: সংগৃহীত

সোমবার (২০ নভেম্বর) নিজের এক্স হ্যান্ডেলে দেয়া এক পোস্টে মাইক্রোসফ্ট সিইও ও চেয়ারম্যান সত্য নাদেলা জানান, নতুন একটি উন্নত এআই গবেষণা দলকে নেতৃত্ব দিতেই তাদের নিয়োগ দেয়া হবে।

 
টেক নিউজ সাইট দ্য ইনফরমেশন গত রোববার (১৯ নভেম্বর), অল্টম্যানকে পূর্বের অবস্থানে ফিরিয়ে নিতে তার সহকর্মীরা প্রচেষ্টা চালাচ্ছে, এমন প্রতিবেদন প্রকাশের পরই এ ঘোষণা দিল মাইক্রোসফট প্রধান। 
 
মাইক্রোসফট ওপেনএআই’র অন্তর্বর্তী সিইও এমেট শিয়ারসহ নতুন নেতৃত্বের সাথে কাজ করার জন্য উন্মুখ বলে জানান সত্য নাদেলা। প্রতিষ্ঠানটি এআই স্টার্টআপের সাথে তাদের অংশীদারত্বের ব্যাপারে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলেও জানান তিনি। উল্লেখ্য, এআই স্টার্টাপে ১৩ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করেছে মাইক্রোসফট। 

অল্টম্যান আরও কয়েকজনের সঙ্গে মিলে ২০১৫ সালে ওপেনএআই প্রতিষ্ঠা করেন। ২০২২ সালে চ্যাটজিপিটি প্রকাশের পর থেকে এআই’র সম্ভাব্য সুবিধা ও বিপদের বিষয়গুলো নিয়ে বেশ সরব ছিলেন তিনি। এমনকি এ বিষয়ে ব্যবসায়িক শীর্ষ সম্মেলনে কথা বলাসহ মার্কিন কংগ্রেসের প্রশ্নের সম্মুখীনও হতে হয়েছে তাকে।
এআই নিয়ে গবেষকদের সতর্কবার্তার পরই চাকরি হারান অল্টম্যান!

এআই নিয়ে গবেষকদের সতর্কবার্তার পরই চাকরি হারান অল্টম্যান!

 

ওপেনএআইয়ের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার (সিইও) পদে স্যাম অল্টম্যানকে সরানোর আগে প্রতিষ্ঠানটির কয়েকজন গবেষক পরিচালনা পর্ষদকে একটি চিঠি দিয়েছিলেন। চিঠিতে তারা সতর্ক করে লিখেছেন, উদ্ভাবিত শক্তিশালী কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা-এআই মানবজাতির জন্য হুমকি হতে পারে।

নানা নাটকীয়তার পর আবারও ওপেনএআইয়ে ফিরেছেন স্যাম অল্টম্যান। ছবি: সংগৃহীত

বিষয়টির সঙ্গে সম্পৃক্ত দুই ব্যক্তির বরাত দিয়ে বুধবার (২২ নভেম্বর) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

 
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্যামকে সরিয়ে দেয়ার আগে এটাই ওপেনএআইয়ে ছিল সবচেয়ে বড় ঘটনা। এর পরই স্যামের পদচ্যুতি নিয়ে নাটকের সূত্রপাত। এর মধ্যে পরিচালনা পর্ষদকে লেখা খোলাচিঠিতে সাত শতাধিক কর্মী জানান, স্যামকে সিইও পদে না ফেরালে তারা সবাই একযোগে পদত্যাগ করবেন। এরপর গত মঙ্গলবার সিইও পদে স্যামকে ফেরানো হয়।
 
সূত্র জানিয়েছে, স্যামের বিরুদ্ধে ওপেনএআইয়ের পরিচালনা পর্ষদের যেসব অভিযোগ ছিল, তার মধ্যে গবেষকদের লেখা ওই চিঠির সারবত্তা রয়েছে। তবে রয়টার্সের পক্ষ থেকে চিঠির বিষয়টি যাচাই করা সম্ভব হয়নি। চিঠিতে সই করা গবেষকেরা এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

 
সংশ্লিষ্ট একটি সূত্রের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, প্রতিষ্ঠানটির অন্তর্বর্তীকালীন সিইওর দায়িত্ব পাওয়া মিরা মুরাতি প্রকল্পটির নাম ‘কিউ–স্টার’ (কিউ*) বলে কর্মীদের কাছে উল্লেখ করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, গবেষকদের দেয়া সতর্কবার্তা–সংবলিত ওই চিঠি স্যামকে নিয়ে নাটকীয় পরিস্থিতি শুরুর আগেই পরিচালনা পর্ষদকে দেয়া হয়েছিল।
 
পরে সংবাদমাধ্যমে চিঠির কথা জানাজানি হয়ে যায়। ওপেনএআইয়ের মুখপাত্র বলেন, চিঠির বিষয়টি সংবাদমাধ্যম জেনে গেছে, এটা মিরা মুরাতি কর্মীদের বলেছেন। তবে এসব প্রতিবেদনের সত্যতা নিয়ে মিরা কোনো মন্তব্য করেননি।
 
চ্যাটজিপিটির উদ্ভাবক প্রতিষ্ঠানটি কিউ–স্টার প্রকল্পে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে। অভ্যন্তরীণভাবে এটাকে ‘সুপার ইন্টেলিজেন্স’ বা কৃত্রিম সাধারণ বৃদ্ধিমত্তা (এজিআই) বলা হয়। ওপেনএআইয়ের কর্মীদের মতে, এজিআই মানুষের চেয়েও বেশি স্মার্ট।
 
পরিচালনা পর্ষদকে লেখা চিঠিতে গবেষকেরা জানিয়েছেন, এজিআই মানবজাতির জন্য ক্ষতির কারণ হতে পারে। তবে এটি কীভাবে মানুষের ক্ষতি করতে পারে, সে সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু লেখা হয়নি। যদিও কম্পিউটারবিজ্ঞানীরা দীর্ঘদিন ধরে উচ্চ বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন কৃত্রিম প্রযুক্তির বিকাশে সম্ভাব্য বিপদের কথা বলে আসছেন।
 
গত সপ্তাহে ওপেনএআই’র প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার (সিইও) পদ থেকে সরিয়ে দেয়া হয়েছিল স্যাম অল্টম্যানকে। তবে নানা নাটকীয়তা শেষে আবারও প্রতিষ্ঠানটিতে ফিরেছেন তিনি। আর ফিরে এসেই নিয়েছেন কঠিন পদক্ষেপ, ওপেনএআই’র পরিচালনা পর্ষদকেই বরখাস্ত করেছেন তিনি। 

মহাবিশ্বের সবচেয়ে পুরনো ‘ব্ল্যাক হোল’ আবিষ্কার

মহাবিশ্বের সবচেয়ে পুরনো ‘ব্ল্যাক হোল’ আবিষ্কার

 

মহাবিশ্বের সবচেয়ে পুরনো (এখন পর্যন্ত আবিষ্কৃত) ব্ল্যাক হোল বা কৃষ্ণ গহ্বরের সন্ধান পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা। তাদের দাবি, নতুন আবিষ্কৃত এই ব্ল্যাক হোলের বয়স আনুমানিক ১ হাজার ৩২০ কোটি বছর।

নতুন আবিষ্কৃত ব্ল্যাক হোলের বয়স আনুমানিক ১ হাজার ৩২০ কোটি বছর। ছবি: লাইভ সায়েন্স

বিজ্ঞানীদের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা এপি এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, নতুন আবিষ্কৃত ব্ল্যাক হোলটি ‘বিগ ব্যাঙ’ বা মহাবিস্ফোরণের ৪৭ কোটি বছর পর সৃষ্টি হয়। 

 
অর্থাৎ এখন থেকে ১ হাজার ৩৭০ কোটি বছর আগে মহাবিশ্ব সৃষ্টি হয়ে থাকলে, সদ্য আবিষ্কৃত এই ব্ল্যাক হোলের বয়স আনুমানিক ১ হাজার ৩২০ কোটি বছর। 

যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা প্রতিষ্ঠান নাসা ও কানাডার এক্স-রে পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র যৌথভাবে এই ব্ল্যাক হোলের সন্ধান পেয়েছে। প্রতিষ্ঠান দুটি বিগত কয়েক বছর ধরেই এ ধরনের ব্ল্যাক হোল খোঁজার চেষ্টা করে যাচ্ছিল। 
 
মহাবিশ্ব সৃষ্টির সূচনালগ্নেই ব্ল্যাক হোল বা কৃষ্ণ গহ্বর গঠিত হয়েছিল- নতুন এই আবিষ্কারের মধ্য দিয়ে সেই ধারণা আরও পোক্ত হলো। 
 
এর আগে, নাসার জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপে একটি সক্রিয় অতিকায় ব্ল্যাক হোল ধরা পড়ে। 

গত জুলাই মাসে ওই ব্ল্যাক হোলের কথা প্রথম জানায় মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা। বলা হয়, ব্ল্যাক হোলটির অবস্থান সিইইআরএস ১০১৯ নামে এক গ্যালাক্সি বা ছায়াপথের ভেতরে। গ্যালাক্সিটি অতি প্রাচীন একটি গ্যালাক্সি যা সম্ভবত বিগ ব্যাং তথা মহা বিস্ফোরণের অন্তত ৫৭ কোটি বছর পর সৃষ্ট। 
আন্তর্জাতিক মহাকাশকেন্দ্র ধ্বংস করতে ১০০ কোটি ডলার খরচ করছে নাসা!

আন্তর্জাতিক মহাকাশকেন্দ্র ধ্বংস করতে ১০০ কোটি ডলার খরচ করছে নাসা!

 

পৃথিবীর বাইরে মানুষের একমাত্র বাসস্থান ইন্টারন্যাশনাল স্পেস স্টেশন (আইএসএস)। তবে ২০৩০ সালে আইএসএস ধ্বংস করার পরিকল্পনা করেছে মার্কিন মহাকাশ সংস্থা নাসা। এটি ধ্বংস করতে নাসার খরচ হবে ১০০ কোটি ডলার। ধ্বংসাবশেষ যাতে পৃথিবীর বুকে এসে না পড়ে তা নিশ্চিতেই এই পরিমাণ অর্থ খরচ হবে।

শিগগিরই ইন্টারন্যাশনাল স্পেস স্টেশনকে কক্ষপথচ্যুত করার পরিকল্পনা করছে নাসা। ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, জাপান, কানাডা এবং ইউরোপের মহাকাশ সংস্থার সম্মিলিত প্রয়াসে গড়ে উঠেছিল আন্তর্জাতিক মহাকাশকেন্দ্র (আইএসএস)। এই স্পেস স্টেশনকে কক্ষপথ থেকে ছাড়িয়ে পৃথিবীতে নামিয়ে ধ্বংস করার পরিকল্পনা করছে নাসা।

 
এক প্রতিবেদনে স্পেসনিউজ় জানিয়েছে, ২৫ বছর ধরে কক্ষপথে (লোয়ার আর্থ অরবিট) রয়েছে আইএসএস। শিগগিরই স্পেস স্টেশনকে কক্ষপথচ্যুত করার পরিকল্পনা করছে নাসা।
 
নাসা আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা না দিলেও মনে করা হচ্ছে, ২০৩০ সালে আইএসএস ধ্বংস করা হচ্ছে। নাসার পাশাপাশি ইউরোপিয়ান স্পেস এজেন্সি (ইউএসএ) এবং কানাডিয়ান স্পেস এজেন্সি (সিএসএ)-ও এই বিষয়ে তাদের সমর্থন জানিয়েছে।
 
রাশিয়ার মহাকাশ সংস্থা রসকসমস ২০২৮ সাল পর্যন্ত আইএসএস’র সঙ্গে যুক্ত থাকবে বলে ঘোষণা করেছে।
 
স্পেসনিউজ় জানিয়েছে, ১০৯ মিটার দীর্ঘ স্পেস স্টেশন ধ্বংস করা খুব সহজ নয়। যে কারণে কাজ সম্পন্ন করতে অভিনব পন্থা নিচ্ছে মার্কিন মহাকাশ সংস্থা।
 
আইএসএসকে কক্ষপথচ্যুত করতে একটি মহাকাশযানের প্রয়োজন হবে বলে জানিয়েছে নাসা। সেই মহাকাশযানের সঙ্গে আইএসএসের সংযোগ স্থাপন করে তাকে কক্ষপথ থেকে সরানোর পরিকল্পনা নাসার।
 
নাসা জানিয়েছে, আইএসএসের সঙ্গে মহাকাশযানটি এমনভাবে জুড়তে হবে যেন কক্ষপথচ্যুত হলেও তা দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরে গিয়ে পড়ে।
 
সূত্রের বরাত দিয়ে স্পেসনিউজ় জানিয়েছে, মহাকাশযান তৈরি করতে খরচ হবে ১০০ কোটি ডলার।
 
নাসা জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের একটি সংস্থা মহাকাশযান হিসেবে ‘ইউএস ডিঅরবিট ভেহিকল’ (ইউএসডিভি) তৈরি করবে। বর্তমানে যে ধরনের মহাকাশযান ব্যবহার করা হয় সেগুলোর থেকে ইউএসডিভি অনেকটাই আলাদা হবে বলে জানিয়েছে নাসা।
 
কক্ষপথ থেকে নামিয়ে আনার সময় ‘ক্রিটিকাল ডিঅরবিট বার্ন’ হয়। সেই ‘বার্ন’ সহ্য করার ক্ষমতা থাকার পাশাপাশি ইউএসডিভিকে প্রথম উড়ানেই সফল হতে হবে।
 
তবে বিশেষ ধরনের ইউএসডিভি আকারে বিশাল হবে বলে নাসার দাবি। তৈরি করার পর নানারকম পরীক্ষানিরীক্ষা করতে বেশ কয়েক বছর সময় লাগবে বলে জানিয়েছে নাসা।
 
স্পেসরেফ এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ইউএসডিভির নির্মাণের জন্য চলতি অর্থবছরে প্রাথমিকভাবে ১৫০০ কোটি টাকার আবেদন জানিয়েছে নাসা। হোয়াইট হাউস সেই আবেদনে সবুজ সংকেত দিয়েছে বলেও জানানো হয়েছে।